শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা নিমবাড়ী এলাকায় এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, “আমি জোর দিয়ে বলতে চাই—আপনাদের আমানত ভোটের দায়িত্ব আমি নেব, কখনো খেয়ানত করবো না।”
তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে দেশে এক কোটির মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। মায়েদের কৃষি উপকরণ সহায়তা দেওয়া হবে এবং কৃষকদের কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে, যার মাধ্যমে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
পথসভায় তিনি ঘোষণা দেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে যাদের কৃষিঋণ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে, তা মওকুফ করা হবে। পাশাপাশি যারা এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছেন, সেই ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা আমরা করবো।”
রাজনীতিতে সততা ও নৈতিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “দায়িত্বশীল পদে থাকাকালীন আমি সবসময় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রাধান্য দিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “প্রায় পনেরো বছর আমি নানা সংকটে ছিলাম। দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দি ছিলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে নির্বাসিত ছিলেন। তখন দলের পুরো দায়িত্ব আমার ওপর ছিল। সারাদেশে ঘুরতে হয়েছে, তাই ঠাকুরগাঁওয়ে কম আসতে পেরেছি—এর জন্য আপনাদের কাছে ক্ষমা চাই।”
বর্তমান সময়কে আশাব্যঞ্জক উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যেমন ধানক্ষেত পাকার আগে সবুজ হয়ে ওঠে আর কৃষকের মনে আশা জাগে—তেমনি এবার দেশের মানুষ একটি ভালো নির্বাচনের প্রত্যাশা করছে। সবাই ভোট দিতে পারবে, ভোট দিয়ে ভালো দল ও ভালো মানুষকে নির্বাচিত করতে পারবে।”